নিরক্ষরতা মুক্ত সমাজ গঠনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

সাক্ষর শব্দের আভিধানিক অর্থ অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি। এখন সাধারণ অর্থে সাক্ষর বলতে পড়া,লেখা ও হিসাব করায় দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে মনে করা হয়। সাক্ষর ব্যক্তি যেন মাতৃভাষায় সহজে লেখা পড়তে ও বুঝতে পারে,মনের ভাব শুদ্ধ ভাষায় বলতে ও লিখতে পারে। দৈনন্দিন হিসাব-নিকাশ করতে ও লিখে রাখতে পারে। বিগত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশে সাক্ষর ও সাক্ষরতার সংজ্ঞায় নানা পরিবর্তন ও বিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশে ‘সাক্ষরতা’ শব্দের প্রথম উল্লেখ দেখা যায় ১৯০১ সালে আদম শুমারির সরকারি প্রতিবেদনে

ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের কিংবদন্তি মডেল শহীদ আবদুল মালেক

শহীদ আবদুল মালেক ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। যার আলো ঠিকরে পড়েছে ইসলামী আন্দোলনের সকল কর্মীর অন্তরে। আজকে সবার কণ্ঠে ফেরে যাঁর নাম, দেশের আদর্শবাদী সংগ্রামী তরুণদের মনের মণিকোঠায় যাঁর স্থান, বাংলাদেশে যিনি ছাত্র-ইসলামী আন্দোলনের ইমাম, তিনি হলেন আমাদের সকলের প্রিয় শহীদ আবদুল মালেক। একটি উন্নত নৈতিক চরিত্রসম্পন্ন যুব-ছাত্রসমাজ ছাড়া একটি জাতির এগিয়ে যাওয়া অসম্ভব

সন্ত্রাস প্রতিরোধে মহানবী সা:-এর শিক্ষাদর্শন

সন্ত্রাস প্রতিরোধে তরুণ বয়সে মুহাম্মদ সা. যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তার বাস্তবায়ন তার সমগ্র জীবনে পরিলক্ষিত হয়। তিনি নবুওয়ত পাওয়ার পরও এই প্রতিজ্ঞার কথা ভুলেননি। তিনি নবুওয়ত প্রাপ্তির পর কোন একদিন বলেন : “আজও যদি কোন উৎপীড়িত ব্যক্তি ‘হে ফুযুল প্রতিজ্ঞার ব্যক্তিবর্গ’ বলে ডাক দেয়, আমি অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেবো। কারণ, ইসলাম এসেছে ন্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং উৎপীড়িত, অত্যাচারিতকে সাহায্য করতে।” এভাবে মহানবী সা. মক্কানগরী থেকে অন্যায়, অত্যাচার ও সন্ত্রাস দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং

সমাজসেবায় রাসুল (সাঃ) এর আশ্চার্যজনক কৌশল

মদপান, জুয়াখেলা, চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ গ্রহণ করা, গোত্রীয় যুদ্ধে লিপ্ত থাকা, নানা ধরনের কোন্দল ও দলাদলি করা, পণ্যদ্রব্যের মত দাস-দাসীদের হাট-বাজারে বিক্রয়, দাসদাসীদের উপপত্মী হিসেবে গ্রহণ, লুণ্ঠন, নরবলি, দেবমূর্তির সাথে পরামর্শ, আভিজাত্যের দম্ভ, আত্মম্ভরিতা, পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা, পৌত্তলিকতা, ত্রিত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন, বিভিন্ন নক্ষত্ররাজীকে খোদা বলে পূজা করা, নানা ধরনের গাছকে সিজদা করা, সুদ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সে ব্যক্তির স্ত্রী পুত্র, কন্যা সকলে সুদ দাতার অধীনে চলে যাওয়া- এ ধরনের অসংখ্য অন্যায় কাজ আরব সমাজে বিরাজমান ছিলো।

পথনির্দেশক হিসেবে আল কুরআনের তাৎপর্য

কুরআন শব্দের অর্থ: পাঠ করা, যা পাঠ করা হয়। আর পরিভাষায়-আল্লাহ তাআলা জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানবজাতির হেদায়েত হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর ওপর যে কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে তার নাম আল কুরআন।