সত্যপন্থীদের পথচলা কখনো থামবে না

যে সমাজের সার্বিক কর্তৃত্ব ইসলামের হাতে এবং মানুষের আকিদা-বিশ্বাস, ইবাদত, আইন-কানুন, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা, নৈতিক চরিত্র, পারস্পরিক লেনদেন ইত্যাদি সকল বিষয় ইসলামের প্রাধান্য বিদ্যমান সে সমাজই ইসলামী সমাজ।”

ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে সময় ব্যবস্থাপনা গুরুত্ব ও কৌশল

আল্লাহপ্রদত্ত ও রাসূল সা: প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী এ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে চলতে থাকা দ্বীনের কর্মীরা তাই আল্লাহর সব নেয়ামতের সর্বোচ্চ সুন্দর ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায়। আর সদা গতিশীল জীবনের জন্য সুনির্ধারিত সময় সেসব নেয়ামতের মধ্যে অন্যতম। এ সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার তাই তাদের কাছে আমানত হিসাবেই গণ্য। জীবনে যে ক’টি মুহূর্ত পাওয়া যাচ্ছে, তাকেই পরীক্ষার জন্য ইফেক্টিভলি কাজে লাগানোর কাজে সদা ব্যস্ত কর্মীদের উদ্দেশ্যেই এই লেখা।

ইসলামী বিপ্লবের স্বাভাবিক পদ্ধতি

সমাজ-ব্যবস্থার সকল স্তর, দিক ও বিভাগে ইসলামের বিধি-বিধান কার্যকর হওয়ার নাম ইসলামী বিপ্লব। ‘ইকামাতুদ্ দীন’, ‘ইযহারু দীনিল হাক’, ‘খিলাফাত প্রতিষ্ঠা’ ইত্যাদি পরিভাষা ‘ইসলামী বিপ্লব’ পরিভাষার সমার্থক।

এসো আলোর পথে

নবী রাসূলদের অনুপস্থিতিতে তাদের রেখে যাওয়া দাওয়াতী কাজের আঞ্জাম দিবে মুসলমানরা। বাংলাদেশের প্রায় সকল লোক মুসলমান। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও তার অনুসৃতি থেকে তারা অনেক দূরে সরে গেছে। বিশেষ করে তরুন সমাজ। তরুন সমাজকে ইসলামের রঙে রাঙিয়ে তুলে আগামী দিনে জাতির কান্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ করার মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

ইসলামী সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং করণীয়

সূল (সা) বলেন, ‘এ তো অনস্বীকার্য, আল্লাহর রাসূলকে হেফাজত করার জন্য অস্ত্র হাতে নিয়ে তোমরা অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করছো। কলমের ভাষা দিয়ে তাকে আজ হেফাজত করার সময় এসে গেছে। কে আছো তীক্ষ্ণ অসির আঁচড় নিয়ে এগিয়ে আসবে?’