ত্যাগ ও কুরবানীর মহান আদর্শে পরিচালিত হোক আমাদের জীবন

ঈদ আমাদেরকে শুধু আনন্দই দেয় না বরং সকল ভেদাভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পরস্পর পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি ও দৃঢ় ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে। ঈদুল আযহা মানুষকে ত্যাগ ও কুরবাণীর আদর্শে উজ্জীবিত করে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য, শোষণ দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকারে অনুপ্রেরণা দেয়।

মাহে রমজান উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সভাপতির নসিহত

মাহে রমজান মুসলিম জাতির প্রতি মহান আল্লাহর সীমাহীন অনুকম্পা ও অনুদান। রহমত, মাগফিরাত ও নাযাতের বার্তা নিয়ে পবিত্র মাহে রমজান আমাদের নিকট সমাগত। রাসূলুল্লাহ (সা) এ মাসকে ‘শাহরুন মোবারক’ তথা ‘বরকতময় মাস’ বলে অভিহিত করেছেন।

মাহে রমজান উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সভাপতির নসিহত।

মাহে রমজান ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের অনবদ্য প্রশিক্ষণের মাস। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার আলোকে কুরআন শিক্ষার মাস হিসেবে মাহে রমজানকে গ্রহণ করা হয়েছে। জ্ঞানার্জন, আত্মগঠন ও আদর্শিক সমাজ বিনির্মাণের দীপ্ত শপথে উজ্জীবিত হয়ে এ মাসে নিম্নোক্ত নসিহতসমূহ পালন করার ব্যাপারে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি:

এই কাফেলা রুখতে পারে সাধ্য কার?

ওরা কি সব নিঃশেষ করে দিতে পারবে? এর আগেও ইসলামী আদর্শের ধারকদের যুগে যুগে অবর্ননীয় নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। নবী রাসুলদের করাত দিয়ে চিরে মাথা দ্বিখন্ডিত করা হয়েছিল, তাদের অনুসারীদের জলন্ত আঙ্গারে নিক্ষিপ্ত করা হয়েছিল, টগবগে ফুটন্ত তেলে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল, ঝুলানো হয়েছিল ফাঁসির কাষ্ঠে। সেই ধারাবাহিকতায় সাহাবায়ে আজমায়িন ও রাসুল (সঃ) এর অনুসারী ইসলামী ঝান্ডাবাহীদের উপর এখনো নতুন নতুন কায়দায় চলছে বর্বরতা।