গঠনমূলক কাজের মাধ্যমে ছাত্রশিবির জাতির প্রত্যাশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, সমৃদ্ধ জাতি গঠনে সৎ দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব তৈরীর লক্ষ্য নিয়ে ছাত্রশিবির যাত্রা শুরু করেছিল। এ পথচলা আজ বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এ অগ্রযাত্রাকে দমিয়ে দিতে নানা মহল থেকে সর্বোচ্চ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু তাদের কোন চক্রান্তই সফল হয়নি। গঠনমূলক কাজের মাধ্যমে ছাত্রশিবির জাতির প্রত্যাশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

ইসলামী শিক্ষা ছাড়া আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা সম্ভব নয়

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, আদর্শিক শিক্ষা না থাকার কারনে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় সংঘঠিত হচ্ছে। দূর্নীতি মুক্ত রাষ্ট্র গঠন ও দেশকে এগিয়ে নিতে ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই। আজকের প্রেক্ষাপটে ইসলামী শিক্ষা ছাড়া আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছে ছাত্রশিবির

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, বিজয়ের ৪৫ বছর পরও স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্য জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পায়নি। যা জাতির জন্য দারুন হতাশার কারণ। কিন্তু ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে লাখো তরুন মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছে ছাত্রশিবির।

স্বাধীন বাংলাদেশে ২৮শে অক্টোবর নির্মমতার এক প্রতিচ্ছবি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, শান্তিকামী মানুষ আজও ২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবরে আওয়ামী বর্বরতার কথা মনে করে শিউরে উঠে। সেদিন ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থের কাছে মানবতা হয়েছিলো ভূলন্ঠিত। স্বাধীন বাংলাদেশ ২৮শে অক্টোবর যেন নির্মমতার এক প্রতিচ্ছবি।

শহীদদের রক্ত ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান বলেছেন, ২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর আওয়ামী অপশক্তি বাংলার জমিন থেকে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করে দিতে এক ভয়াবহ নারকীয়তার অবতারণা করে। কিন্তু তাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বরং বুমেরাং হয়েছে। ২৮শে অক্টোবরের শহীদের রক্ত ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে।