নৈতিকতার সর্বোচ্চ মানদন্ডে নিজেদেরকে উপনীত করতে হবে

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, নৈতিক অবক্ষয় রাষ্ট্র ও সমাজে মহামারি আকার ধারণ করেছে। নৈতিক অধঃপতনের কারণে জাতিকে একের পর এক বিভৎস চিত্র দেখতে হচ্ছে। এই অশুভ প্রলয় থেকে সমাজের মানুষদেরকে পরিবর্তন করতে হলে ছাত্রশিবিরের সদস্যদেরকে নৈতিকতার সর্বোচ্চ মানদন্ডে নিজেদেরকে উপনীত করতে হবে।

প্রশ্নফাঁস শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, জাতি ধ্বংসের আত্মঘাতি খেলায় মেতে উঠেছে সরকার। নিখুত ভাবে আগামী প্রজন্মকে ধ্বংসের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে তারা। দেশকে পরনির্ভর করতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসে করে দিচ্ছে। প্রশ্নফাঁস শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজীব আহসানকে গ্রেপ্তারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, ছাত্রজনতার আন্দোলনে ভীত হয়ে সরকার জুলুম-নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের সভাপতিকে আটক করেছে। পতন নিশ্চিত জেনে অবৈধ আওয়ামী সরকার উন্মাদের মতো আচরণ করছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আদালতকে ব্যবহার করে জেলে নেয়া হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে। আর ছাত্রজনতার গণআন্দোলন বানচাল করতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানকে। ইতিপূর্বে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টুকেও। এটা কোন ভাবেই গণতান্ত্রিক আচরণ নয় বরং কাপুরুষচিত কাজ। তাকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে অবৈধ সরকার নিজেদের দেওলিয়াত্বের প্রকাশ করেছে। পুলিশও তাদের দাসত্বমূলক মনোভাবের বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছে। ছাত্রনেতাদের প্রতি এমন অন্যায় আচরণ ও দমন-পীড়ণ করে সরকার দেশের রাজনীতিতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই দায়িত্বহীন ঘটনায় ছাত্রসমাজ বিক্ষুদ্ধ। তার প্রতি কোন অন্যায় আচরণ ছাত্রসমাজ মেনে নেবেনা।

ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখার সদস্য আসাদুজ্জামান তালুকদারের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখার সদস্য আসাদুজ্জামান তালুকদারের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

দেশের মানুষের স্বপ্ন পূরণে ছাত্রশিবির দৃঢ় প্রতিজ্ঞ

রাজধানীতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন শাখার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে যারা দেশ পরিচালনার করেছিল তাদের নানামুখী ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে দেশকে পরিণত করেছিল তলাবিহীন ঝুড়িতে। মেধা, নৈতিকতা হারিয়ে ছাত্ররা গা ভাসিয়ে দেয় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং মাদকের সয়লাবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছিল না শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ। ফলে চতুর্দিকেই অশান্তি পরিলক্ষিত হয়। ঠিক সে সময়ের অনিবার্য বাস্তবতায় ১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারী যাত্রা শুরু করেছিল ছাত্রশিবির। লক্ষ্য ছিল দেশগঠনের জন্য সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের বিকাশ এবং ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে জাতির মর্যাদাকে সমুন্নত রাখা। এ যাত্রার প্রতিটি পরতে পরতে ছাত্রশিবিরকে সিমাহীন ত্যাগের নজরানা পেশ করতে হয়েছে। প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রীয় ও বাতিল শক্তি কর্তৃক খুন, গুম, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, জেলসহ সিমাহীন জুলুম সহ্য করতে হচ্ছে। নেতাকর্মীরা ঈমানী দৃঢ়তা, সাহস ও ধৈর্য দিয়ে সকল প্রতিকূলতা মোবাবেলা করে আসছে। কিন্তু ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমৃদ্ধ জাতি গঠনের লক্ষ্য থেকে একচুল পরিমাণ পিছু হটেনি। সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে কুরআনকে বুকে ধারণ ও বাতিলের মোকাবেলা করে ছাত্রশিবির আজ জাতির আশার আকাঙ্খার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। শত প্রতিকূলতার পরেও এই কাফেলা আজ লাখো ছাত্রদের পদভারে মুখোরিত। ছাত্রশিবিরের অগ্রযাত্রায় শুধু ছাত্রসমাজ নয় বরং দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের অকৃত্তিম ভালবাসা ও সহযোগিতা অপরিসীম ভূমিকা পালন করছে। তাই দেশের মানুষের স্বপ্ন পূরণে ছাত্রশিবির দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।