২৮ অক্টোবর যে নরহত্যা ভোলার নয়

কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই ঘটলো সেই নরহত্যাযজ্ঞের ঘটনা। নয়াপল্টন ও পুরানা পল্টনে যারা ছিলেন তাদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। আর আওয়ামী লীগ অফিস-কেন্দ্রীক মিছিলকারীদের প্রত্যেকের হাতে ছিল লগি আর বৈঠা। টেলিভিশনের ক্যামরা সচল ছিল। একদল লগি-বৈঠাধারী আকস্মিকভাবে ছুটে এলো পুরানা পল্টন মোড়ের দিকে। তাদের কারো কারো হাতে ছিল পিস্তল ও কাটা রাইফেল। ভিডিও চিত্রে তার প্রমাণ আছে। ছুটে এসেই তারা পুরানা পল্টনে অবস্থানরতদের ওপর হামলা চালালো। অনেকে এদিক ওদিক ছুটে গেল। কিন্তু পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল সাদা পাজামা পানজাবি পরা তরুণ জসিম। সে পালাবারও চেষ্টা করেনি। যেন আরো

২৮ অক্টোবর আওয়ামী বর্বরতার কালো অধ্যায়

ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক দিবস আছে যেগুলো আমাদের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে। আমরা যখনি হিরোশিমা নাগাসাকি, ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ’০৯ বিডিআর হত্যাযজ্ঞ, আর এপ্রিল ফুল দিবসের কথা স্মরণ করি, আমাদের স্মৃতিতে এক জঘন্য চিত্র ভেসে ওঠে। তেমনি ২৮ অক্টোবরকে স্মরণ করলে আওয়ামী লীগ বৈঠার হিংস্রতা পৈশাচিকতা, আর বর্বরতার এক বীভৎস চিত্র আমাদের নতুন প্রজন্মেও নিকট ফুটে ওঠে, যাতে শিউরে ওঠে শরীর, বাকরুদ্ধ হয় বিবেক, কেঁদে ওঠে মানুষের মন। আর এই মানুষরূপী নরপশু অভিশপ্তদের ঘৃণা করবে বিশ্বমানবতা শতাব্দীর পর শতাব্দী।

২৮ অক্টোবর : অপরাজনীতির দলিল

সমালোচকরা অথবা রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আওয়ামী লীগকে সেই রকমই একটি দল এবং তাদের পরিচালিত সরকারকে ফ্যাসিবাদী সরকার বলে থাকেন। এই প্রজন্মের কাছে আওয়ামী লীগের এহেন চরিত্রটি অজানা থাকলেও বিগত ১৯৯৬-২০০১ সালে শাসনব্যবস্থা এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর মতায় আরোহণের পর দীর্ঘ ৩৩ মাসের শাসন এ প্রজন্মের কাছে দুঃশাসন হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠাধারী সন্ত্রাসীরা সারা বাংলাদেশ থেকে এসে যে

মানবতাবিরোধী অপরাধের নজিরবিহীন ঘটনা

২৮শে অক্টোবর ২০০৬ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। দুনিয়ার ইতিহাসে এভাবে মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধের ঘটনা বিরল। সেদিন যারা লগি-বৈঠা নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে রাজপথে মানুষ হত্যা করেছিল আজ তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে আরও নির্মমভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধে মেতে উঠেছে। আর তাদের হাতে মানুষের জানমাল, ইজ্জত-আব্র“ কোন কিছুই নিরাপদ নয়। তারা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

২৮ অক্টোবর : ত্যাগ ও কুরবানির এক অনন্য নজরানা

পল্টন মোড়ে তীব্র উত্তেজনার মাঝেও রীতি অনুযায়ী জনসভা শুরু করার ক্ষেত্রে কোন ব্যাঘাত ঘটেনি। কুরআনের কর্মীরা দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিবেদিত বলেই পেটে তীব্র ক্ষুধা ও পিপাসার্ত বুক নিয়ে অতন্দ্রপ্রহরী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাজপথে। তেলাওয়াতের প্রতিধ্বনি ক্ষুধা আর পিপাসার রাজ্যে যেন নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। মাত্র দশ হাত দূরে হায়েনাদের মরণছোবল আর ঠিক তার পাশেই পিনপতন নীরবতায় তেলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভা শুরু দেখে বুক ভরে গেল। আল্লাহর পক্ষ থেকে নেয়ামতের মত কে যেন একজন এই