শহীদ হাবিবুল্লাহ

০৪ জুলাই ১৯৯৪ - ২৩ নভেম্বর ২০১৫ | ২২৪

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

শাহাদাতের ঘটনা

২৩.১১.১৫ ,শহীদ হাবিবুল্লাহ ২৩ তাং দুপুর ২টায় যশোর এম,এম কলেজেরে অর্থনীতি ৩য় বর্ষের ছাত্র ১.হাবিবুল্লাহ হোসাইন ২.কামরুল আহসান ও ৩.আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রওশন ইকবাল শাহীনের নেতৃত্বে জিসান, রনি, জুয়েলসহ ১০-১৫ জন ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী মেসে হামলা চালিয়ে ধরে নিয়ে যায়। পরে কলেজের আসাদ হলে আটকে রেখে তাদের উপর বর্বর নির্যাতন চালায় সন্ত্রাসীরা । কলেজের পূর্ব পাশে ‘নির্ঝর’ নামে একটি মেসে থাকতেন তারা।

পরে পুলিশ এসে আহতদেও উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায় । হাসপাতালে হাবিবুল্লাহ শাহদাৎ বরণ করে । এবং কামরুল আহসানের অবস্থা অবনতি হওয়াতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয় । ২৪.১১.১৬ কামরুল আহসান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহদাৎ বরণ করেন । কামরুল আহসান বাঘারপাড়া উপজেলার ছোটখুদরা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে। ২৩.১১.১৫ নিহত হাবিবুল্লাহ শার্শা উপজেলার তেবাড়িয়া এলাকার নিয়ামত আলীর ছেলে।নিহত হাবিবুল্লাহ হোসাইন ও কামরুল আহসান সংগঠনের কর্মী ও যশোর এম,এম কলেজেরে অর্থনীতি ৩য় বর্ষের ছাত্র।

এক নজরে

পুরোনাম

শহীদ হাবিবুল্লাহ

পিতা

নিয়ামত আলী

মাতা

জয়নব বেগম

জন্ম তারিখ

জুলাই ৪, ১৯৯৪

ভাই বোন

৩ ভাই

স্থায়ী ঠিকানা

গ্রামঃ তেবাড়িয়া, পোস্টঃ পাকশীয়া, থানাঃ শার্শা, জেলাঃ যশোর

সাংগঠনিক মান

সদস্য প্রার্থী

সর্বশেষ পড়ালেখা

অর্থনীতি, ৩য় বর্ষ। যশোর এম এম কলেজ।

শাহাদাতের স্থান

যশোর ছাত্রাবাস থেকে ছাত্রলীগের হাতে অাহত হয়ে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে শাহাদাৎ বরণ করেন ।