একটি নীরব বিপ্লবের হাতছানি

এভাবে করে সময়ের সাথে সাথে ভাগ্নে একজন সত্যপ্রিয় মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ। আর স্বাভাবিক ভাবেই তার বুঝের আলোকে নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছানোর পরে তাকে ইসলামী আন্দোলনের ব্যাপারে অভ্যস্ত করে তোলা হবে নাসির মামার কাজ। ইসলামী আন্দোলনে অভ্যস্ত হয়ে গেলে লাখো ‘নাসির মামা’ তখন এ ভাগ্নের খোঁজ রাখবে।

ঈদুল ফিতর ও আমাদের সংস্কৃতি

ঈদুল ফিতর একটি আরবি পরিভাষা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও ভাষায় এটি একাকার হয়ে গেছে। আরবি ভাষাবিদগণের দৃষ্টিতে ঈদুল ফিতর একটি যৌগিক পরিভাষা যা ঈদ ও ফিতর শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত। আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদ অর্থ বারবার ফিরে আসা। তবে শব্দটি উৎসব অর্থে প্রসিদ্ধি পেয়েছে। এমনকি পবিত্র কুরআনেও শব্দটি আনন্দঘন উৎসব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ঈসা আ.-এর দোয়া প্রসঙ্গে

আত্মার আত্মীয় ইবনুল ইসলাম পারভেজের শাহাদাৎ বার্ষিকী।

মহান আল্লাহ্‌র ডাকে সাড়া দিয়ে ভাইটি চলে গেছে আমাদের থেকে অনেক দূরে।আর ফিরে আসবেনা কোন দিন।

নিশ্চয়ই আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ তায়ালা আল-কুরআনকে মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-এর উপর নাযিল করেছেন। আল্লাহ মানুষের মধ্যে যেসব বিশেষ গুণাগুণ তৈরি হওয়া দেখতে চান, সেসব গুণাগুণ তিনি বিভিন্ন আয়াতের মধ্যে উল্লেখ করেছেন নানান ভাবে, নানান ভঙ্গীমায়। শুধুমাত্র এসব গুণাবলী উল্লেখই করেননি বরং আয়াতগুলো ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখা যায় যে, উল্লেখিত গুণাবলী অর্জনের পন্থাও তিনি সেসব জায়গায় বলে রেখেছেন- কখনও সরাসরি আবার কখনও সুপ্তভাবে।

বদর দিবস : অন্যায় অসত্যের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রেরণা

মাহে রমযানের ১৭তম দিবস ইসলাম ও মুসলমানদের ইতিহাসে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ। যে যুদ্ধে সত্যের স্বপক্ষে থাকা মুসলমানরা বিজয়ী হয়েছিলেন অশান্তি বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের বিপক্ষে। তাই বদর দিবস অত্যন্ত সম্মানিত একটি দিবস মুসলমানদের জন্য।

মৌসূমী মুসল্লীঃ প্রেক্ষিত রমজান

রাসূলে করীম (সঃ) হাদীসে ঈমানের ব্যাপারে বলেছেন-ঈমানের সমষ্টি হল“মুখে স্বীকার, অন্তরে বিশ্বাস এবং বাস্তবে আমল।” এ বিষয়গুলো সবারই জানা । অন্য একটি হাদীসে তিনি বলেন - “যে ব্যক্তি আল্লাহ কে প্রভু,ইসলাম কে দ্বীন এবং মুহাম্মদ (সঃ) কে রাসূল হিসাবে মেনে নেয় তারা তাদের ঈমানকে পূর্ণ করে নিল” । ঈমানের আরও ব্যাখ্যা কুরআনের সূরা মায়েদার-৫৪ এবং সুরা আহযাবের ৬৯ নং আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে ।

মানবিক দুর্বলতার উর্ধ্বে এক নিস্কুলুস চরিত্রে শহীদ মাহফুজুল হক চৌধুরী

চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণে অবস্থিত সাতকানিয়া থানার ছদাহা ইউনিয়নের খোর্দ্দ কেওচিয়া গ্রামের নুনু চৌধুরীর বাড়ির এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ০২ এপ্রিল ১৯৫৩ সালে জন্ম গ্রহণ করেন শহীদ মাহফুজুল হক চৌধুরী। তার মায়ের নাম মোছাম্মত মনিরা বেগম এবং পিতার নাম মাওলানা আব্দুর রহিম চৌধুরী। শহীদের পিতা স্থানীয় মসজিদের ইমাম। স্বনামধন্য জাতি গড়ার কারিগর এবং টানা চৌদ্দ বছর ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। ৬ ভাই ২ বোনের মধ্যে শহীদ মাহফুজুল হক চৌধুরী ছিলেন পিতা-মাতার চতুর্থ সন্তান।

মে দিবসের রক্তাক্ত ইতিহাস শ্রমিক অধিকার ও আমাদের দায়িত্ব

বাংলাদেশে কাজের ক্ষেত্রে পোশাকশ্রমিকের পর নির্মাণশ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় যাদের রক্ত ও ঘাম মিশে আছে তারাও তাদের শ্রমের ন্যায্য পাওনা অনেক সময় পায় না। শ্রম দিয়ে যারা শ্রমের মূল্য পায় না তারাই জানে জীবন সংগ্রামে বেঁচে থাকার লড়াই কত কষ্টের? শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং দেশের শ্রম আইনে সংবিধান অনুসারে শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের ন্যায্য অধিকার সংরক্ষিত আছে। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার যেন কিতাবে আছে গোয়ালে নেই! বরাবরই এই দেশের দিনমজুর শ্রেণীর মেহনতি মানুষ বঞ্চিত ও শোষিত।

উন্নত চরিত্র গঠনে রাসূল সা. এর আদর্শ

সিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আখলাক ও চরিত্র। উম্মুল মুমিনিন আয়েশাকে রা. রাসূলের আখলাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কুরআন মজিদই হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আখলাক। অর্থাৎ রাসূলের গোটা জীবন ছিল কুরআন মজিদের ব্যবহারিক তাফসির। এ প্রসঙ্গে খোদ কুরআন মজিদে ইরশাদ হয়েছে, নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত। (সূরা : কলম)