জ্ঞানীদের দৃষ্টিতে বিশ্বনবী (সা.)

পবিত্র কুরআনে সুরা আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াতে বিশ্বনবী হযরতমুহাম্মাদ (সা.)-কে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত বা মহাকরুণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও সুরা আহজাবের ৫৬ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন, "আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম পাঠাও।"

সমাজসেবায় রাসুল (সাঃ) এর আশ্চার্যজনক কৌশল

মদপান, জুয়াখেলা, চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ গ্রহণ করা, গোত্রীয় যুদ্ধে লিপ্ত থাকা, নানা ধরনের কোন্দল ও দলাদলি করা, পণ্যদ্রব্যের মত দাস-দাসীদের হাট-বাজারে বিক্রয়, দাসদাসীদের উপপত্মী হিসেবে গ্রহণ, লুণ্ঠন, নরবলি, দেবমূর্তির সাথে পরামর্শ, আভিজাত্যের দম্ভ, আত্মম্ভরিতা, পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা, পৌত্তলিকতা, ত্রিত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন, বিভিন্ন নক্ষত্ররাজীকে খোদা বলে পূজা করা, নানা ধরনের গাছকে সিজদা করা, সুদ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সে ব্যক্তির স্ত্রী পুত্র, কন্যা সকলে সুদ দাতার অধীনে চলে যাওয়া- এ ধরনের অসংখ্য অন্যায় কাজ আরব সমাজে বিরাজমান ছিলো।

ইসলামে মিডিয়ার গুরুত্ব

আমরা যারা ইসলামকে ভালোবাসি এবং ইসলামের প্রসার কামনা করি, তারা বর্তমান বাস্তবতায় মিডিয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে বাধ্য। বর্তমানে এমন মানুষ একটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না যিনি টিভি দেখেন না বা রেডিও শোনেন না কিংবা খবরের কাগজ পড়েন না। মিডিয়া এখন আরও অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে ইন্টারনেট সেবা চালু হওয়ায়। এই ইন্টারনেটও একটি এ যুগের গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া। এ যুগে যে কোনো তথ্যের জন্য মানুষ ইন্টারনেটের শরণাপন্ন হচ্ছে। বহির্বিশ্বের সকল ছাত্র-ছাত্রী প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য ছুটে আসে ইন্টারনেটের দুয়ারে।

পথনির্দেশক হিসেবে আল কুরআনের তাৎপর্য

কুরআন শব্দের অর্থ: পাঠ করা, যা পাঠ করা হয়। আর পরিভাষায়-আল্লাহ তাআলা জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানবজাতির হেদায়েত হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর ওপর যে কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে তার নাম আল কুরআন।

একটি নীরব বিপ্লবের হাতছানি

এভাবে করে সময়ের সাথে সাথে ভাগ্নে একজন সত্যপ্রিয় মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ। আর স্বাভাবিক ভাবেই তার বুঝের আলোকে নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছানোর পরে তাকে ইসলামী আন্দোলনের ব্যাপারে অভ্যস্ত করে তোলা হবে নাসির মামার কাজ। ইসলামী আন্দোলনে অভ্যস্ত হয়ে গেলে লাখো ‘নাসির মামা’ তখন এ ভাগ্নের খোঁজ রাখবে।

ঈদুল ফিতর ও আমাদের সংস্কৃতি

ঈদুল ফিতর একটি আরবি পরিভাষা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও ভাষায় এটি একাকার হয়ে গেছে। আরবি ভাষাবিদগণের দৃষ্টিতে ঈদুল ফিতর একটি যৌগিক পরিভাষা যা ঈদ ও ফিতর শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত। আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদ অর্থ বারবার ফিরে আসা। তবে শব্দটি উৎসব অর্থে প্রসিদ্ধি পেয়েছে। এমনকি পবিত্র কুরআনেও শব্দটি আনন্দঘন উৎসব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ঈসা আ.-এর দোয়া প্রসঙ্গে

আত্মার আত্মীয় ইবনুল ইসলাম পারভেজের শাহাদাৎ বার্ষিকী।

মহান আল্লাহ্‌র ডাকে সাড়া দিয়ে ভাইটি চলে গেছে আমাদের থেকে অনেক দূরে।আর ফিরে আসবেনা কোন দিন।

নিশ্চয়ই আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ তায়ালা আল-কুরআনকে মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-এর উপর নাযিল করেছেন। আল্লাহ মানুষের মধ্যে যেসব বিশেষ গুণাগুণ তৈরি হওয়া দেখতে চান, সেসব গুণাগুণ তিনি বিভিন্ন আয়াতের মধ্যে উল্লেখ করেছেন নানান ভাবে, নানান ভঙ্গীমায়। শুধুমাত্র এসব গুণাবলী উল্লেখই করেননি বরং আয়াতগুলো ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখা যায় যে, উল্লেখিত গুণাবলী অর্জনের পন্থাও তিনি সেসব জায়গায় বলে রেখেছেন- কখনও সরাসরি আবার কখনও সুপ্তভাবে।

বদর দিবস : অন্যায় অসত্যের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রেরণা

মাহে রমযানের ১৭তম দিবস ইসলাম ও মুসলমানদের ইতিহাসে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ। যে যুদ্ধে সত্যের স্বপক্ষে থাকা মুসলমানরা বিজয়ী হয়েছিলেন অশান্তি বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের বিপক্ষে। তাই বদর দিবস অত্যন্ত সম্মানিত একটি দিবস মুসলমানদের জন্য।

মৌসূমী মুসল্লীঃ প্রেক্ষিত রমজান

রাসূলে করীম (সঃ) হাদীসে ঈমানের ব্যাপারে বলেছেন-ঈমানের সমষ্টি হল“মুখে স্বীকার, অন্তরে বিশ্বাস এবং বাস্তবে আমল।” এ বিষয়গুলো সবারই জানা । অন্য একটি হাদীসে তিনি বলেন - “যে ব্যক্তি আল্লাহ কে প্রভু,ইসলাম কে দ্বীন এবং মুহাম্মদ (সঃ) কে রাসূল হিসাবে মেনে নেয় তারা তাদের ঈমানকে পূর্ণ করে নিল” । ঈমানের আরও ব্যাখ্যা কুরআনের সূরা মায়েদার-৫৪ এবং সুরা আহযাবের ৬৯ নং আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে ।