আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালো দুঃখ কি আর তাদের থাকতে পারে

যারা সত্যিকারের মুমিন এবং আল্লাহকে ভালোবাসেন তারই ওপর ভরসা করেন, দুঃখ-কষ্ট কিংবা হতাশায় তারা কখনো ভারাক্রান্ত হতে পারেন না। কারণ যারা মহান আল্লাহর পথের অনুসারী, তারই দ্বীনবিজয়ের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেন, দুঃখ-কষ্ট ও যাতনাকে বরণ করে নেন, তাদের জন্যতো মহান আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। কারণ আল্লাহর ওপর ভরসা করলে তিনি মানুষের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আমাদেরও উচিত মহান আল্লাহ তায়ালার ওপরই ভরসা করা। জেল-জুলুম, নির্যাতন-নিপীড়ন কিংবা রিজিক হারানোর ভয় যেন আমাদেরকে মহান আল্লাহর ওপর ভরসা থেকে বিরত না রাখে। বরং ভয় শুধু আল্লাহকেই করা উচিত, কেননা তিনিইতো রিজিকের মালিক, তিনি ইচ্ছা করলে পাখির রিজিকের মতো কিংবা ধারণাতীত জায়গা থেকেও মানুষের জন্য উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করেন

ত্যাগ ও কুরবানীর মহান আদর্শে পরিচালিত হোক আমাদের জীবন

ঈদ আমাদেরকে শুধু আনন্দই দেয় না বরং সকল ভেদাভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পরস্পর পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি ও দৃঢ় ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে। ঈদুল আযহা মানুষকে ত্যাগ ও কুরবাণীর আদর্শে উজ্জীবিত করে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য, শোষণ দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকারে অনুপ্রেরণা দেয়।

বদরের শিক্ষা- সর্বক্ষেত্রে সর্বাগ্রে মহান আল্লাহর উপরে দৃঢ় ঈমান এবং ভরসা করাই বিজয় অর্জনের মূল হাতিয়ার

আজ ১৭ই রমজান ‘বদর দিবস’। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল মক্কার মুশরিক এবং মুসলমানদের মধ্যে। বদর যুদ্ধ ইসলামে প্রথম যুদ্ধের ঘটনা। ইসলামের ইতিহাসে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের এই দিনটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যা ইসলামের ইতিহাসকে সোনালী রঙে রঙ্গিন করেছে।

ত্যাগ ও কুরবানির মহান আদর্শে উজ্জীবিত হোক আমাদের সবার জীবন

ঈদ আমাদেরকে শুধু আনন্দই দেয় না বরং সকল ভেদাভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পরস্পর পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি ও দৃঢ় ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে। ঈদুল আযহা মানুষকে ত্যাগ ও কুরবাণীর আদর্শে উজ্জীবিত করে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য, শোষণ দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকারে অনুপ্রেরণা দেয়।

ইসলামী আদর্শের কর্মীদের করণীয়

সঙ্ঘবদ্ধভাবে যারা ইসলামের সৌন্দর্য প্রচার-প্রসার ও আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় এর প্রতিষ্ঠার জন্য সাধ্যাতীত চেষ্টার কাজে নিজেদেরকে নিয়োজিত করে তারাই ইসলামী আদর্শের কর্মী। আদর্শিক আন্দোলনের কর্মী মানেই আন্দোলনের পক্ষ থেকে ব্যক্তির ওপর আন্দোলনের যে দায়িত্ব অর্পিত হবে তা যথাযথভাবে পালন করবে। কর্মীর সকল দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের উদ্দেশ্যের মূলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

এই কাফেলা রুখতে পারে সাধ্য কার?

ওরা কি সব নিঃশেষ করে দিতে পারবে? এর আগেও ইসলামী আদর্শের ধারকদের যুগে যুগে অবর্ননীয় নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। নবী রাসুলদের করাত দিয়ে চিরে মাথা দ্বিখন্ডিত করা হয়েছিল, তাদের অনুসারীদের জলন্ত আঙ্গারে নিক্ষিপ্ত করা হয়েছিল, টগবগে ফুটন্ত তেলে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল, ঝুলানো হয়েছিল ফাঁসির কাষ্ঠে। সেই ধারাবাহিকতায় সাহাবায়ে আজমায়িন ও রাসুল (সঃ) এর অনুসারী ইসলামী ঝান্ডাবাহীদের উপর এখনো নতুন নতুন কায়দায় চলছে বর্বরতা।