আল্লাহ অবশ্যই  অফুরন্ত পুরস্কার দিবেন

১৬০) যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে হাজির হবে সৎকাজ নিয়ে তার জন্য রয়েছে দশগুণ প্রতিফল আর যে ব্যক্তি অসৎকাজ নিয়ে আসবে সে ততটুকু প্রতিফল পাবে যতটুকু অপরাধ সে করেছে এবং কারো প্রতি জুলুম করা হবে না৷ ১৬১) হে মুহাম্মাদ! বলো, আমার রব নিশ্চিতভাবেই আমাকে সোজা পথ দেখিয়ে দিয়েছেন৷ একদম সঠিক নির্ভুল দীন, যার মধ্যে কোনো বক্রতা নেই, ইবরাহিমের পদ্ধতি, যাকে সে একাগ্রচিত্তে একমুখী হয়ে গ্রহণ করেছিল এবং সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না৷ ১৬২) বলো, আমার নামাজ, আমার ইবাদাতের সমস্ত অনুষ্ঠান, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছু আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য। (সূরা আল আনআম : ১৬০-১৬২)

জান্নাতের সোজা রাস্তাঃ

৭৪. পরকালের বিনিময়ে যেসব লোক দুনিয়ার জীবনকে বিক্রি করে দিয়েছে তাদের উচিত আল্লাহর পথে লড়াই করা। কারণ যে আল্লাহর পথে লড়াই করবে এবং জীবন বিলিয়ে দেবে (মারা যাবে) অথবা বিজয়ী হবে তাকে অচিরেই আমি বিরাট পুরস্কার দেবো। ৭৫. তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নর-নারী ও শিশুদের জন্য লড়বে না যারা দুর্বলতার কারণে নির্যাতিত হচ্ছে এবং ফরিয়াদ করছে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে এই জালিমের জনপদ থেকে বের করে নাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাঠিয়ে দাও। ৭৬. যারা ঈমানের পথ অবলম্বন করেছে তারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে আর যারা কুফরির পথ অবলম্বন করে তারা তাগুতের পথে লড়াই করে কাজেই তোমরা শয়তানের চেলা-চামুণ্ডাদের সাথে লড়াই কর। নিশ্চয় শয়তানের কৌশল খুবই দুর্বল।

জান্নাতে যাওয়ার সোজা পথ আল্লাহর রাহে জীবন দান

অনুবাদ ৭৪. পরকালের বিনিময়ে যেসব লোক দুনিয়ার জীবনকে বিক্রি করে দিয়েছে তাদের উচিত আল্লাহর পথে লড়াই করা। কারণ যে আল্লাহর পথে লড়াই করবে এবং জীবন বিলিয়ে দেবে (মারা যাবে) অথবা বিজয়ী হবে তাকে অচিরেই আমি বিরাট পুরস্কার দেবো। ৭৫. তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নর-নারী ও শিশুদের জন্য লড়বে না যারা দুর্বলতার কারণে নির্যাতিত হচ্ছে এবং ফরিয়াদ করছে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে এই জালিমের জনপদ থেকে বের করে নাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাঠিয়ে দাও। ৭৬. যারা ঈমানের পথ অবলম্বন করেছে তারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে আর যারা কুফরির পথ অবলম্বন করে তারা তাগুতের পথে লড়াই করে কাজেই তোমরা শয়তানের চেলা-চামুণ্ডাদের সাথে লড়াই কর। নিশ্চয় শয়তানের কৌশল খুবই দুর্বল।

সালাতে সুফল লাভের উপায়

আল্লাহপাক বলেন, ‘জমিন ও আসমানের সকল প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। অতএব তোমরা আল্লাহর তাসবিহ কর (সালাত পড়) সন্ধ্যায় (মাগরিব ও এশা) ও প্রত্যুষে (ফজর) এবং বিকেলে (আসর) ও দ্বিপ্রহরে (জোহর)।’ (সূরা রূম : ১৭-১৮)

নির্যাতিতদের আল্লাহ পুরষ্কৃত করবে

অনুবাদ : যারা আল্লাহর বিধান ও হেদায়াত মানতে অস্বীকার করে এবং তাঁর নবীদেরকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে, আর এমন লোকদের প্রাণসংহার করে, যারা মানুষের মধ্যে ন্যায়, ইনসাফ ও সততার নির্দেশ দেয়ার জন্য এগিয়ে আসে, তাদের কঠিন শাস্তির সুসংবাদ দাও। এরা এমন সব লোক যাদের কর্মকান্ড (আ’মল) দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানেই নষ্ট হয়ে গেছে, এবং তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরা আলে ইমরান : ২১ ও ২২)

কুরআনের আলো মুছে ফেলা যায় না

অনুবাদ: তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতাদানকারী। যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে। তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্যদ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি সকল দ্বীনের উপর তা বিজয়ী করে দেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। (সূরা ছফ-৮-৯)

দারসুল কোরআন সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবেই

02.Translation: And they planned a plan, and we planned a plan, while they perceived not. Then see how was the end of their plan? verily we destroyed them and their nation all togather. Those are their houses desolate because they did wrong. Indeed in that is a sign for the people who know. -27, Sura An-Naml: 50-52 ০৩. অনুবাদ: “তারাত নবী হত্যার পরিকল্পনা করল আর আমরাও তাদের শাস্তির সিদ্ধান্ত নিলাম। তাদের পরিকল্পনা আমার জানা ছিল কিন্তু আমার পলিকল্পনা তারা অবগত ছিল না। এখন দেখে নাও তাদের ভয়াবহ চক্রান্তের কি নিদারূণ পরিণতি হয়েছিল। আমার কঠিন গজব কিভাবে ধ্বংস করেছিল তাদেরকে ও তাদের অভিশপ্ত জাতিকে, এতে জ্ঞানীদের জন্যে রয়েছে অনুভব করার নিদর্শন। -২৭, সূরা আন-নমল: ৫০-৫২

সালাতে সুফল লাভের উপায়

আল্লাহপাক বলেন, ‘জমিন ও আসমানের সকল প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। অতএব তোমরা আল্লাহর তাসবিহ কর (সালাত পড়) সন্ধ্যায় (মাগরিব ও এশা) ও প্রত্যুষে (ফজর) এবং বিকেলে (আসর) ও দ্বিপ্রহরে (জোহর)।’ (সূরা রূম : ১৭-১৮)

সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ১-৩

“যারা কুফরি করেছে এবং আল্লাহর পথে চলতে বাঁধা দিয়েছে, আল্লাহ তাদের সমস্ত কাজকর্ম ব্যর্থ করে দিয়েছেন। আর যারা ঈমান এনেছে, নেক কাজ করেছে এবং মুহাম্মদের প্রতি যা নাজিল করা হয়েছে তা মেনে নিয়েছে- বস্তুত তা তো তাদের রবের পক্ষ থেকে নাজিলকৃত অকাট্য সত্যকথা- আল্লাহ তাদের খারাপ কাজগুলো তাদের থেকে দূর করে দিয়েছেন এবং তাদের অবস্থা শুধরে দিয়েছেন। কারণ হলো, যারা কুফরি করেছে তারা বাতিলের আনুগত্য করেছে এবং ঈমান গ্রহণকারীগণ তাদের রবের পক্ষ থেকে আসা সত্যের অনুসরণ করেছে। আল্লাহ এভাবে মানুষের সামনে তাদের উদাহরণসমূহ উপস্থাপন করেন (সঠিক মর্যাদা ও অবস্থান বলে দেন)।”

সূরা-আহযাব-৩৬

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে উহাই চূড়ান্ত, সে বিষয়ে কোন মুমিন নর নারীর ভিন্ন মত প্রকাশের অধিকার নেই। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সেত স্পষ্ট্যই পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ।