সূরা আল-আসর (ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়)

অর্থঃ সময়ের কসম। মানুষ আসলে খুবই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করতে থেকেছে এবং পরস্পরকে হক কথার ও সবর করার উপদেশ দিতে থেকেছে।

সূরা আলে ইমরান : ১৪৪

“না, মুহাম্মদ, একজন রাসূল ছাড়া আর কিছু নন; তাঁর আগে আরও অনেক রাসূল গত হয়েছেন। তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা তাঁকে যদি শহীদ করা হয় তবে কি তোমরা দ্বীন থেকে উল্টো দিকে ফিরে যাবে? সাবধান, তোমাদের যে কেউ জাহেলিয়াতের দিকে আবার ফিরে যাবে সে আল্লাহর দ্বীনের সামান্যতম ক্ষতি সাধনও করতে পারবে না। আল্লাহতায়ালা অবশ্যই দৃঢ়চেতা ও কৃতজ্ঞ বান্দাদেরকে পুরস্কৃত করবেন।” (সূরা আলে ইমরান : ১৪৪)

সূরা-আহযাব-৩৬

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে উহাই চূড়ান্ত, সে বিষয়ে কোন মুমিন নর-নারীর ভিন্ন মত প্রকাশের অধিকার নেই। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সে তো স্পষ্টই পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ। (সূরা-আহযাব-৩৬)

সূরা আল-আসর (ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়)

সময়ের কসম। মানুষ আসলে খুবই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করতে থেকেছে এবং পরস্পরকে হক কথার ও সবর করার উপদেশ দিতে থেকেছে।

সুরা সফ ১০-১৩

অর্থাৎ হে মুমিনগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যবসার কথা বলব যা তোমাদেরকে পীড়াদায়ক আযাব হতে রক্ষা করবে? তোমরা ঈমান আন আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের ধনসম্পদ এবং জীবন দিয়ে। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম; যদি তোমরা বুঝ। তিনি তোমাদের গুনাহ-খাতা মাপ করে দিবেন এবং তোমাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত এবং বসবাসের জন্য অতীব উত্তম বাসস্থান দান করবেন চিরস্থায়ী জান্নাতে, এটাই বিরাট সাফল্য। এবং আরো একটি অনুগ্রহ দিবেন, যা তোমরা পছন্দ কর; আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং নিকটবর্তী বিজয়। (হে রাসুল) মুমিনদেরকে এর সুসংবাদ জানিয়ে দিন। (সুরা সফ ১০-১৩)