সংবিধান

দ্বিতীয় অধ্যায়

সদস্য

ধারা-৪ : একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে তার জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন, এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষণ করেন ও তা বাস্তবায়নের স¤পূর্ণরূপে মেনে চলেন, তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন, কবীরা গোনাহসমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচির বিপরীত কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করতে পারেন।

ধারা-৫ : সদস্যপদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথভাবে পূরণ করত: কার্যকরী পরিষদ কর্তক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মঞ্জুর করবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মঞ্জুর না করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন।

ধারা-৬ : কোন সদস্য যদি সংবিধানের ৪ নং ধারায় বর্ণিত বিষয়সমূহ আংশিক বা পূর্ণভাবে লঙ্ঘন করেন অথবা সদস্য হওয়াকালীন প্রদত্ত প্রতিশ্র“তি ভঙ্গ করেন অথবা সংগঠনের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেন অথবা তাকে সংশোধনের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংগঠনের কাজে অবহেলা করে চলেন, তাহলে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত নির্ধারিত পন্থায় তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে।

ধারা-৭ : যদি কোন সদস্য তার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিতে চান তাহলে তাকে কেন্দ্রীয় সভাপিতর নিকট পদত্যাগপত্র পেশ করতে হবে। কেন্দ্রীয় সভাপতি তার পদত্যাগপত্র পাওয়ার সাথে সাথে তার সদস্যপদ মুলতবী হয়ে যাবে এবং কেন্দ্রীয় সভাপতির অনুমোদনের পর পরই তার সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে।

ধারা-৮ : কোন সদস্যের ছাত্রজীবন সমাপ্ত হলে তার পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবার দুমাস পর তার সদস্যপদ আপনা-আপনি বিলুপ্ত হবে।

সাথী

ধারা-৯ : যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে ঐকমত্য পোষণ করেন, এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতনভাবে একমত হন, ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্বসমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগঠনের সাথী হতে পারেন।
ধারা-১০ : সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেনদপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মঞ্জুর করে নেবেন।
ধারা-১১ : যদি কোন সাথী সংবিধানের ৯ নং ধারায় বর্ণিত নিয়মসমূহ আংশিক বা পূর্ণভাবে লঙ্ঘন করেন, তাহলে কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি উক্ত সাথীর সাথীপদ বাতিল করতে পারেন।