ইবনুল ইসলাম পারভেজ সদা হাস্যোজ্জ্বল একজন মানুষ

আমরা জানি সকল মানুষই মরণশীল। শহীদেরা অন্যের চাইতে আরও নির্মমভাবে হাত-পা কর্তিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তারাও মৃত্যুর পর আর ফিরে আসেন না। তারা মরে না, তাদেরকে অন্য মৃতদের মধ্যে শামিল করা যায় না। এ বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারিমে একাধিকবার বলেছেন, “আল্লাহর পথে যারা নিহত হয় তাদেরকে মৃত বলো না, বরং তারা জীবিত কিন্তু তোমরা তা উপলব্ধি করতে পার না।” (সূরা বাকারা : ১৫৪)

জান্নাতের বাগানে প্রস্ফুটিত একটি গোলাপ

সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্ব পৃথিবীর চিরন্তন ইতিহাস। মানুষ যখন অন্যায়, অত্যাচার আর অসত্যে নিমজ্জিত, শয়তান তার অনুসারীদের সাথে নিয়ে পৃথিবীতে শয়তানি শক্তির রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত; তখন আল্লাহ মানবজাতির কল্যাণে যুগে যুগে পাঠিয়েছেন অসংখ্য নবী-রাসূল ও তাদের সঙ্গী-সাথী হিসেবে প্রেরণ করেছেন দ্বীনের জন্য জীবন উৎসর্গকারী মর্দে মুজাহিদ। নবী-রাসূলদের পর তাদের উত্তরাধিকারীরা এ দায়িত্ব পালনে ব্রত হন। তারা শয়তানি শক্তি নির্মূলের জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করেন, এমনকি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সাক্ষী হয়ে আছেন।

শহীদ নোমানী : স্বপ্নচারী অভিযাত্রিক

নজরকাড়া নয়ন যুগল অনেকেরই থাকে, কিন্তু তার থেকে যে দৃষ্টি ঝরে- তাতে মমতা এবং স্বপ্ন থাকে ক’জনার। মার্চ এলেই সেই মমতাময় নয়ন আমাকে নাড়া দেয়। মমতার আচ্ছাদনে বাঁধতে শেখায় আমাকে। হাঁটতে শেখায় পথ তৈরি করে করে। আমি জানি, এ অনুভূতি আমি একাই উপলব্ধি করি না। শহীদ নোমানী ভাইকে কাছ থেকে যারা দেখেছেন, যারাই তাঁর সাথে মিশেছেনÑ তারা আজ অনুপ্রাণিত সেই নয়নের মমতা মেখে।

শহীদী মিছিলে শামিল হলেন প্রিয় ভাই ওমর ফারুক।

শহীদী মিছিলে শামিল হলেন প্রিয় ভাই ওমর ফারুক।

কুরআনের আন্দোলনে নিবেদিত প্রাণ শহীদ খলিলুর রহমান

২০০৯ সালে আমি শ্যামপুর থানা সভাপতি থাকাকালীন শহীদ খলিলুর রহমান ভাইকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল মুরাদপুর মাদ্রাসা ওয়ার্ডের। অল্প দিনের মধ্যেই তিনি হয়ে উঠলেন মাদ্রাসার সকল ছাত্রের প্রিয়ভাজন ব্যক্তি। কিছুদিনের মধ্যে অন্য সকল ওয়ার্ডের চাইতে সর্বোচ্চ সংখ্যক সমর্থক, কর্মী ও সাথী বৃদ্ধি করে মাদ্রাসায় সংগঠনের কাজের মজবুত অবস্থান তৈরি করলেন। তিনি যখন মাদ্রাসায় যেতেন তখন ছোট বড় সবাই তার সাথে দেখা করার জন্য ভীড় জমাতেন। মনে হতো তিনি যেন সকলের আপনের চাইতেও আপন।

শহীদ রাশিদুল হক রান্টুর বাবার কথা

বাবার সাথে ছোটবেলা থেকেই মসজিদে যাওয়ার অভ্যাস ছিলো রান্টুর। ক্লাস ফাইভ থেকেই নিয়মিত রোজা রাখতো। আমি কখনো অসুস্থ্য থাকলে খেতে না পারলে সেও খেত না। বাবার হাত নিজে ধুয়ে দিত, তারপর একসাথে খেত